রবিবার, ৫ মার্চ, ২০১৭

ব্লগার সাংবাদিক সাকিব আহমদ মুছা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ব্লগার সাংবাদিক সাকিব আহমদ মুছা বলেছেন বর্তমান ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা-কে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরুধ ও তার জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত করতে হবে।

তা না হলে বাংলাদেশে জামায়াত শিবির, হরকাতুল জিহাদ, আনসার উল্লাহ বাংলাটিম, হেফাজতে ইসলাম সহ ইসলামী সংগঠন গুলো  তারা তাদের দলকে টিকিয়ে রাখতে ভিন্ন সময় ভিন্ন নামে বা ভিন্ন রূপে বাংলার স্বাধীন মাঠিতে ধানের ছড়ার মতো দল জাগিয়ে  গুচিয়ে লাফিয়ে উঠতে পারে।

আমার মনে হয় বর্তমান ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ব্লগার হত্যার এই বিষয়গুলিকে অবহেলার দূষ্টিতে দেখছেন। তারই ধারা বাহিকথায় বাংলাদেশে একের পর এক বিজ্ঞান মনষ্ক লেখক ব্লগার রাজিব হায়দার-কে ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৩ হত্যা করা হয়। শুধু তাই নয় ইসলামী সংগঠনগুলি আর বেশ কিছু বিজ্ঞান মনষ্ক লেখক ব্লগার-কে হত্যা করেন বাংলার মাঠিতে যেমন, অভিজিত রায় ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫, অনন্ত বিজয় দাস ১২ মে ২০১৫, ওয়াশিকুর বাবু ৩০ মার্চ ২০১৫ ইত্যাদি আরো অনেক ব্লগারকে হত্যা করা হয়।   

তাই আমি মনে করি এখন থেকে সকল মা-দের-কে সন্তানদের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। সন্তানের সঙ্গে মায়েদের বন্ধুত্বপূর্ণ বন্ধুত্ব সুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। যাতে করে আর কেউ সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তির পথে যেতে না পারে।

সন্তানের জন্য সব থেকে বড়ো বন্ধু হবেন ‘মা’। মা’য়ের কাছে সন্তান যেন নির্দ্বিধায় তার যে কোন সমস্যার কথা বলতে পারে সেই ধরনের একটা সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। যেটা সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

 ‘একটা কথা মা-বোনদের বলে রাখি- বাংলাদেশে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের কোন স্থান নাই। মাদকাসক্তি থেকে সন্তানদের রক্ষা করতে হবে।

‘এ জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। আর ছেলে-মেয়েরা যেন লেখাপড়া শিখে মানুষের মত মানুষ হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

লেখক: ব্লগার সাংবাদিক সাকিব আহমদ মুছা


একজন সাকিব এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যত

লেখক: সাকিব আহমদ মুছা
১) ২০১৭এর ফেব্রুয়ারী, ধর্ম প্রচারক সাকিব আহমদ মুছা- কে মহানবী কে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে ব্লাসফেমী আইনের অধীনে দোষী সাব্যস্ত করা হয় । এককালের বাঙ্গালীর বিখ্যাত গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং পেশায় সাংবাদিক সাকিব আহমদ মুছা ২০১৪ সালে তার পেশা, নেশা দুইটাই ছেড়ে ধর্ম প্রচারে মনোনিবেশ করেন । ২০১৭ তে ব্লাসফেমীর অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার […]

শনিবার, ৪ মার্চ, ২০১৭

নব-নাস্তিক্যবাদ ও এর কাণ্ডারিরা

একবিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে লেখনীর মাধ্যমে নাস্তিক্যবাদী দর্শন প্রচার করে আলোচনায় উঠে আসা লেখকদের ‘নব-নাস্তিক্যবাদী’(New Atheists) বলে আখ্যায়িত করা হয়। এই লেখকদের মধ্যে রয়েছেন স্যাম হ্যারিস, রিচার্ড ডকিন্স, ড্যানিয়েল ড্যানেট এবং ক্রিস্টোফার হিচেন্স। এই লেখকেরা তাদের বইতে ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। সাংবাদিকতার ভাষায় এই লেখকদেরকে ‘নব-নাস্তিক্যবাদী’র তকমায় ভূষিত করা হয়। এরা নাস্তিক্যবাদের চার […] 

লেখক সাকিব  আহমদ মুছা

বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭

সাংবাদিকরা কাজ করেন গাছ এবং গাছের পাতার মতির মত

সাংবাদিকরা হচ্ছেন জাতীর বিভেক, কলম সৈনিক শুধু তা না সাংবাদিকরা কাজ করেন গাছ এবং গাছের পাতার মতির মত । আজ সাংবাদিকরা ইউরোপে বসে বাংলাদেশের মত সারা বহিরবিশ্বে তারা তাদের কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের সুনাম ছড়িয়ে দিয়েছেন। আমি আশাকরি আজকের মতো আগামীতেও নিরিপেক্ষ ভাবে তারা তাদের কোরধার কলম চালিয়ে যাবেন।
লেখক: সাকিব আহমদ মুছা

শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

নবী আহাম্মক পৃথিবীতে আসার পর থেকে শুরু হল সিয়া আর সুন্নি

যরত আলী পৃথীবিতে নবী হিসাবে থাকার কথা ছিল। কিন্তু নবী আহাম্মক এর কারনে তা হতে দিলেন না। হযরত আলীকে টকিয়ে তিনি নিজেকে নবী হিসাবে পৃথিবীতে ঘোষিত করলেন নবী আহাম্মক।

আজ সিরিয়ার দিকে থাকালে দেখা যায় সিয়া সুন্নি নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে রক্তের খেলায় লেলিহান ভেসে গেছে। এই কপাল পুড়া নবী আহাম্মক এর জন্য দায়ী।

আর আজ হাতের লেখা কপাল পুড়া কোরআন নিয়ে মুসলমানরা একের পর এক বিজ্ঞান মনষ্ক লেখক ব্লগার দেখে দেখে ইসলামী জামায়াত শিবির জঙ্গী গোষ্ঠি পর্যন্ত বেশ কিছু আমার পরিচিত ব্লগার বন্ধু দেরকে হত্যা করা হয়েছে।


মুসলমানরা জানে না যে পৃথিবীতে আল্লাহ বলতে কিছু নেই। আমরা নিজ থেকে নিজেরাই সৃষ্টি। আসলে বলতেগেলে কি মুসলমানরা এখনও জানার দিক দিয়ে মানি বিজ্ঞানের দিক দিয়ে অনেক পিছিয়ে।
লেখক সাকিব আহমদ মুছা

বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ফ্রান্স শাখা

পুলিশ বাহিনীকে ব্লগার হত্যার তদন্তে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে

ব্লগার হত্যা জাতির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ব্লগার হত্যা এমন একটা বিষয়, যার গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা কোনভাবেই ব্লগার হত্যা এড়িয়ে যেতে পারি না। ব্লগার হত্যা এড়িয়ে জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়, এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। যদি এগিয়ে যেতে চান, তাহলে ব্লগার হত্যার ঘটনা এড়িয়ে যাবেন না। সুতরাং এটা প্রমাণিত যে, ব্লগার হত্যা মোটেও অগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমি বলতে চাই, পুলিশ বাহিনী এসব ব্লগার হত্যার রহস্যের উন্মোচন করতে প্রাণবাজি রাখবে। হত্যার পরিকল্পনাকারীকে গ্রেফতার করতে জানবাজি রাখবে। হত্যাকান্ডে অংশ নেয়া খুনীদের ধরতে প্রাণবাজি রাখবে। তোমরা যেসব পুলিশ সদস্য প্রাণবাজি রাখতে অপারগতা জানাবে, বুঝতে হবে তাদের প্রাণের কোন মূল্য নাই, গুরুত্ব নাই। তাই নিজের প্রাণের মূল্য প্রমাণ করতে পুলিশ বাহিনীকে ব্লগার হত্যার তদন্তে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।