বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আযানের ধ্বনির চেয়ে কাকের কা কা শব্দ বেশি মধুর লাগতো ব্লগার সাংবাদিক মো: সাকিব আহমদ মুছা!

লেখক: মো: সাকিব আহমদ মুছা

মসজিদ থেকে ভেসে আসা আযানের ধ্বনি ভীষণ অপছন্দ ব্লগার সাংবাদিক মো: সাকিব আহমদ মুছা'র। এর চেয়ে কাকের কা কা শব্দ  আমার কাছে বেশি মধুর লাগে। তাই আমি এই কথাটি আমার নিজ ব্লগ ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশ করলাম।

ভোরের কাককে অনুরোধ করেছি-ও কাক! তুই  খুব জোরে কা কা কর, যাতে মুয়াজ্জিনের আজানটা আর শুনা না যায়।

রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

বাংলাদেশের লাভ হবে ভারত পাকিস্থান যুদ্ধ হলে

লেখক: মো: সাকিব আহমদ মুছা

ভারত পাকিস্থান যুদ্ধ হলে বাংলাদেশের লাভ হবে । তাই আমি এটা নিয়ে বেশ চিন্তিত। ভারত পাকিস্থান নিয়ে যুদ্ধ দেখতে চাই। কারন এখন বাংলাদেশ দখলে আছে ভারতের। আর যুদ্ধে পাকিস্থান জয় হলে ভারতের দখল থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ফ্রান্স আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ২০১৬

ফ্রান্স আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ২০১৬ এর অনুষ্ঠান প্যারিসের পোর্ট দ্য পান্তা’র আবাসিক এলাকার এক স্থানীয় হল রুমে চলাকালে বিভিন্ন সোসালমিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে ছবিতে সাংবাদিক সাকিব আহমদ মুছ।18 09 16

রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আমি নিজেইতো একজন প্রবাসী

আমি নিজেইতো একজন প্রবাসী


লেখক: মো: সাকিব আহমদ মুছা

প্রবাস জীবন নিয়ে কি আর বলবো ভাই। কারন আমি নিজেইতো একজন প্রবাসী।

তবে আমার প্রবাস জীবনটা সবার চাইতে একদম আলাদা। ২০১১ সাল থেকে বাংলার গণমানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পত্র-পত্রিকা, ব্লগ ও ফেইসবুক সহ বেশ কিছু সামাজিক সাইডে আমার নিজের হাতের ডিজিটা লেখা পোষ্ট হতো।

বর্ষায় নদীর পানির স্রোত যেমন তার নিজের গতীতে চলে আমার লেখাও তেমনি মানুষের অধিকার আদায়ে সব রকমের সরকার দল ও বিরুধী দল সহ অন্যা দেশ বিরুধী কার্যকলাপে যে বা যারা লিপ্ত ছিল তাদের দাঙ্গা হাঙ্গামার ছবি ও লেখা-লেখি সহ  বিভিন্ন সামাজিক বেশ কিছু সাইডে নিয়মিত আমার মাধ্যমে প্রকাশ পাইতো।

২৬ নভেম্বর ২০১২ থেকে আমার জীবনে নেমে আশে রাতের আধারে বাতি না থাকলে যেমন অন্ধকার আমার অবস্থা টিক তেমনি। তখন কার সময় ছিলো বিএনপি জামায়াত ও আওয়া মীলীগের দেশের ক্ষমতার মসনদে বসার মুরগের লড়াই।

দেশ ও দেশের সাধারণ মানুষজনের জনমনে জামায়াত বিএনপি আওয়া মীলীগের ক্যাডার বাহিনীর আতংকে সর্ব সময় অস্তিরতা বিরাজ করছিলো। রাত পুহালে শুনা যেত পুলিশ ও বিরুধী দলের মধ্যে মিছিলকে কেন্দ্র করে গুলাগুলি এমনকি রাস্তায় পরে থাকতো একের পর এক লাশ আর কেউ বা গুলি বিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকতো শত শত মানুষ। স্থানীয় জনতা দেখে আশপাশের ক্লিনিক গুলিতে গুলি বিদ্ধ আহত ব্যাক্তিদের সু-চিৎসার জন্য ডাক্তার গনের স্মরনা পন্ন করতেন।

এসব বিষয়ের কাঙ্খিত অনাকাঙ্খিত ঘটনা গুলি আমি মানবাধিকারের স্বার্থে বিভিন্ন ব্লগ পত্র-পত্রিকা ও ফেইসবুক সহ বেশ কিছু সামাজিক সাইডে প্রকাশ করতে নিজেকে প্রতিনিয়ত ব্যাস্ত রাখতাম। তারপর থেকে সরকার দলের ও বিরোধী দলের উপর থেকে নেমে আশে আমার উপর একর পর এক জেল, জুলুম, নির্যাতন।

২৬ নভেম্বর ২০১২ সালের পর থেকে আমি তিন তিন বার সরকার দল ও বিরুধী  দলের দাঙ্গা হাঙ্গামার ছবি প্রকাশ করলে ও বেশ কিছু লিখনীয় অভিযোগে আমাকে গ্রেফতার দেখিয়ে  জেল হাজতে প্রেরন করা হয়। পুলিশি নির্যাতন থেকে দমন পিড়ন ও আমাকে জেল থেকে মুক্তি দিতে ব্যায় হতো আমার বাবার প্রচুর পরিমানের বড় অংকের টাকা।

পরে ১৪ই ফেব্রুয়ারী ২০১৫তে সিলেট বিএনপি জামায়াত ও আওয়া মীলীগ পাল্টা পাল্টি সংঘর্ষের  মানবতাবিরুধী বেশ কিছু ছবি ও লেখা সোসালমিডিয়ার জনপ্রিয় সাইড ফেইসবুক সহ ব্লগে আমার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। পরে ৩০ ফেব্রুয়ারী ২০১৫ ইং তারিখের একটি মামলায় আমাকে অভিযুক্ত করে আসামী করা হয়।

জেল ও নির্যাতনের ভয়ে ২৫ জুলাই ২০১৫ ইং তারিখে বাংলাদেশ ত্যাগ করতে আমি বাধ্য হই। এমনকি আমি বাংলাদেশ ত্যাগ করারা ১৫দিন আগে  আত্যহত্যা করেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলাম। 

প্রবাস জীবন : সব ছেড়ে বাঁচার আশায় প্রবাসে এসেও আদো কোন লাভ নেই। কারন বেঁচে থাকতে হলে লাগে অনেক কিছুর প্রয়োজন। যেমন কাজ কাজের কর্মসংস্থান থাকার জন্য চাই খোলামেলা আবহাওয়াতে বসবাসের বাসস্থান। কিন্তু নিজের দেশের মতো এখানে নাই তেমন একটা স্বাধীনতা।

আজ একবছর আমার প্রবাস জীবন পনের লক্ষ টাকা ব্যায়ের মাধ্যমে ইউরোপের ফ্রান্সে আমার বসবাসের বাসস্থান। কিন্তু না আমি খুশিনা আজ একবছর ধরে ইউরোপে থেকেও নাই কোন আমার ও আমার মতো আরোও অন্যান্যদের কাজ ও কাজের কোন কর্মসংস্থান। মাস শেষে মালিকের ঘর বাড়া ১৪০ ইউরো ও খাবারের বিল ১০০ ইউরো তাছাড়া চিকিৎসা কাপড় চোপড় বা অন্যান্য বিষয় বাদ দিয়ে দিলাম। এই সব বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে করতে আমি আজ একরকমের মানষিক রোগী দৈনিক রাত ১০০ পাওয়ারের ঘুমের ট্যাবলেট খাওয়া না ছাড়া আমার চোখে কোন ঘুম আসেনি।

শুধু তাই নয় চলতি মাসের মাস খানিক আগে মনের দু:খ প্রকাশ করতে না পেরে আত্যহত্যা করতে ক্যারলিন ও বেশ কিছু ঘুমের ট্যাবলেট খাই। আনুমানিক সপ্তাখানেক হসপিটালে অজ্ঞান অবস্থায় ছিলাম ভাগ্যক্রমে ফ্রান্স ডাক্তারদের সহযোগীতায় আবার বেঁচে গেলাম। একবার ভাবি দেশে চলে আসবো কিন্তু আসতে পারিনা আমার উপরে আছে দেশে বেশ কিছু মামলা।


আমার পরামর্শ হলো প্রবাসে যদি কেউ টাকা ইনকামের জন্য আসতে চান তাহলে দালালের খপ্পড়ে না পড়ে নিজে কম খরচের মাধ্যমে আসার চেষ্টা করবেন। আর তার চাইতে ভাল হবে যে, টাকা দিয়ে আপনি প্রবাসে আসতে চান সেই টাকা দিয়ে প্রবাসে না এসে নিজের দেশে কিছু করার চেষ্টা করবেন ও করলে প্রবাসের চাইতে ভালো হবে।  আশাকরী আমার বিষয়গুলি মনযোগ সহকারে পড়বেন ও বুঝবেন।

রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

শুনেছি মসজিদের মুসল্লিরাই থাকে নাকি হত্যা করেছে।

লেখক: মো: সাকিব আহমদ মুছা


ইসকনে হামলার ঘটনা নিয়ে ইমাম আব্দুর রহমান তার ফেইসবুক পেইজএ ইসকনে মন্দিরে হিন্দু ও ধর্মপ্রান মুসলমান মুসল্লিদের মধ্যে হামলার ঘটনা প্রকাশ করেন । উক্ত ঘটনা নিয়ে ইমাম আব্দুর রহমান তার ফেইসবুক পেইজএ ইসকনে মন্দিরে হিন্দু ও মুসল্লিদের মধ্যে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে লেখা লিখির পর সিলেটের ওসমানীনগরের মসজিদ থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আব্দুর রহমান ইমামের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় তার হাত-পা বাঁধা ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে লাশটি উদ্ধার করা হয়। প্রশ্ন হল ইসকনের মন্দিরে হিন্দুদের ওপর হামলার পর যদি হিন্দুরা ইমাম আব্দুর রহমান-কে ফেইসবুকএ ঘটনার বিষয় লেখারপর ইসকনে হামলার প্রতিশুধ নিতে হিন্দুরা হত্যা করে ইমাম আব্দুর রহমান-কে। তাহলে আজ সিলেটের আলীম সমাজ অথবা ছাত্র সমাজ ও সিলেটের মুসলমানরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে না। কার অপেক্ষায় দাড়িয়ে আছে মুসল্লিরা। প্রশ্ন কেন আজ আপনাদের কোন প্রতিবাদ দেখছি না। তাহলে কি বুঝব নিজেদের মধ্যে সমস্যার কারনেই ফেইসবুক এর ইসকন মন্দির ঘটনার সম্পর্কে লেখক মসজিদের ইমাম কে ফেইসবুকএ শুনেছি মসজিদের মুসল্লিরাই থাকে নাকি হত্যা করেছে। আমি উক্ত ঘটনার পুরো সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

সম্পাদক নোটব্লগার সাংবাদিক সাকিব আহমদ মুছা' নিজ ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশ করা হলো।  

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ইমাম হত্যার ঘটনা যেখানে ঘটেছে সেটাতো বাংলাদেশের সিলেট

লেখক: মো: সাকিব আহমদ মুছা

সম্পাদক নোটব্লগার সাংবাদিক সাকিব আহমদ মুছা' নিজ ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশ করা হলো।  

ইমাম হত্যার ঘটনা যেখানে ঘটেছে সেটাতো বাংলাদেশের সিলেট


আমরা কথায় কথায় বহু দিন থেকে শুনে আসছি দেখে আসছি বাংলাদেশ নব্বই ভাগ বিশ্বের ধর্ম প্রাণ অন্যতম মুসলমানদের প্রধান দেশ হিসাবে পরিচিতি তাহলে প্রশ্ন হল ইমাম হত্যার ঘটনা যেখানে ঘটেছে সেটাতো বাংলাদেশের সিলেট। এখানে প্রশ্ন আসে সিলেটে এতই লোক ধর্মপ্রাণ মুসলমান থাকতে একজন ধর্ম প্রাণ মসজিদের ইমামকে কেন বা কারা হাত-পা ব্যাঁধে তাও আবার গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁসির মাধ্যমে হত্যা কারা হলো মসজিদের ইমামের দৌড় ফেসবুক পর্যন্ত ছিল। ইহুদি, নাসারাদের পরে এখন যুক্ত হলো ইসকন। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান, ইহুদী, নাস্তিক সবাই খারাপ, শুধু ১৫০ কোটি মুসলিমরা ভালো। তাও আবার এখন পর্যন্ত মুসল্লিদের ইমাম হত্যার কোন তেমন ব্যাপক পদক্ষেপ নাই।


ইসকনের মন্দিরে হামলা করেছে মুসল্লিরা, এখন দোষ হলো ইসকনের। আর লোকের আনাগুনাতে শুনেছি মসজিদের ইমাম খুব একটা ভালো মানুষ ছিলেন না চরিত্র সম্পর্কেও অনেক ভাজে মন্তব্য ফেইসবুক এবং ব্লগে শুনেছি। মসজিদের মুসল্লিদের নিজেদের মধ্যে হয়তো গন্ডগোলে ছিল বিদায় মুসল্লিরাই থাকে হত্যা করেছে বলে অনুমান করা যায় এমনকি ইসকনের উপর দায় চাপানোর চেষ্টা চালাচ্ছে


উল্লেখ্য ইসকনের মন্দিরে হামলা করেছে মুসল্লিরা, ইসকনের মন্দিরে হিন্দুরা এই হামলার প্রতিশুধ নিতে ফেইসবুক এর ইসকন মন্দির সম্পর্কে লেখক মসজিদের ইমাম কে হাত পা ব্যাধে গলায় দড়ি দিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে প্রতিশুধ নিতে ধারনা করা যায় ইসকন মন্দিরের হিন্দুদের।


সিলেটের ওসমানীনগরে মসজিদ থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আব্দুর রহমান নামে ঐ ইমামের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় তার হাত-পা বাঁধা ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে লাশটি উদ্ধার করা হয়।



শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আমি ফাঁসি বিরুধী

লেখক: মো: সাকিব আহমদ মুছা

আমি ফাঁসি বিরুধী, যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর ফ্রান্স আওয়ামী লীগের মিষ্টি বিতরণ। এটা আবার কোনটা, একটা জীবন্ত মানুষকে হত্যা করার পর মিষ্টি বিতরণ এটা কোন সভ্য সমাজের কাজ হতে পারেনা। কারন আমরা যে, যাই করি না কেন মীর কাসেম আলীও আমাদের মতো একজন রক্ত মাংসের জলন্ত প্রান ছিলেন।


সম্পাদক নোট: ব্লগার সাংবাদিক সাকিব আহমদ মুছা' নিজ ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশ করা হলো।