শনিবার, ৭ মে, ২০১৬

যুক্তরাজ্যের দিকে পা নাড়ালেন সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেল

যুক্তরাজ্যের দিকে পা নাড়ালেন সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেল

সাকিব আহমদ মুছা, প্যারিস (ফ্রান্স) থেকে :-অনেক গুনের গুনান্বিত মানবাধিকারের শ্রেষ্ঠ শিল্প সাহিত্যের দেশ ফ্রান্স। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে  শত বাধা, বিগ্ন, আর ব্যাস্ততার অবসান ঘটিয়ে সর্ব সম্মতি প্যারিস বাংলা প্রেসক্লাব সাংবাদিক গণের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত সফরের জন্য যুক্তরাজ্যের দিকে পা ভাড়ালেন   প্যারিস-বাংলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, চ্যানেল আই ইউরোপ ও মিলিনিয়াম টিভি ফ্রান্স প্রতিনিধি এবং বাংলা কাগজ ফ্রান্সের ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সোহেল বার্মিংহাম বাংলা মেলা কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে এক সংক্ষিপ্ত সফর।

তিনি আগামী ৮ মে রোববার বার্মিংহাম বাংলামেলায় অংশ গ্রহণ করবেন। পরে তিনি লন্ডনে ১৭ মে পর্যন্ত অবস্থান করবেন এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবেন।


এদিকে শিল্প সাহিত্যের নগরী প্যারিস থেকে এনায়েত হোসেন সোহেলের সংক্ষিপ্ত যুক্তরাজ্য সফর সফল বিদায়ের আগমনে গত কাল বিকাল তিন ঘটিকা হইতে সন্ধ্যা অন্তত্য ৬ ঘটিকা পর্যন্ত প্যারিসের গার্দ নর্দের এক আবাসিক রেস্তুরায় প্যারিস বাংলা প্রেসক্লাব উদ্যোগে, এক অনাড়ম্ভর আয়োজনের মধ্যে দিয়ে সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহির এর সাভাপতিত্বে প্রেসক্লাবের  সাংগঠনিক সম্পাদক লুতফুর রহমান বাবু;র পরিচালনায় সংবর্ধিত সাধারণ সম্পাদক চ্যানেল আই ইউরোপ মিলিনিয়াম টিভি ফ্রান্স প্রতিনিধি এবং বাংলাকাগজ ফ্রান্স ব্যুরো প্রধান এনায়েত হোসেন সোহেল, প্রেসক্লাব কোষাধক্ষ আকঞ্জি ফেরদৌস করিম, প্রচার সম্পাদক নয়ন মামুন ও যুগ্ম সম্পাদক সায়মন, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম রানা, ওমর ফারুক, আবুল কালাম, সাকিব, জাকির হুসেন, হাবিব আহমদ মুছা, হাসনাত হুসেন, মামুন প্রমূখ। 

  

সংক্ষিপ্ত সফরের জন্য যুক্তরাজ্যের দিকে পা নাড়ালেন সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সুহেল।


সংক্ষিপ্ত সফরের জন্য যুক্তরাজ্যের দিকে পা নাড়ালেন সাংবাদিক এনায়েত হোসেন সুহেল।


বুধবার, ৪ মে, ২০১৬

ফ্রান্স ছাত্রলীগের প্রতিবাদী সমাবেশ

ফ্রান্স ছাত্রলীগের প্রতিবাদী সমাবেশ

সাকিব আহমদ মুছা, প্যারিস (ফ্রান্স) থেকে :–  বাংলাদেশ ছাএলীগ ফ্রান্সের উদ্যোগে, গতকাল ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি অভিজাত রেষ্টুরেন্টে সংগঠনের প্রথম কর্মীসভায় এক প্রতিবাদী আলোচনা সভার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের উপস্থিতি নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া স্মৃতি স্মরন করে অত্যন্ত দু:খের সাথে বলেন জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমান ক্ষমতাশীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা এবং তনয় সজীব ওয়াজেদ জয়কে দীর্ঘ দিন থেকে যে বাংলাদেশে ও বাংলাদেশের বাহিরে অপহরণ ও হত্যার যে, ষড়যন্ত্র চলছে আমরা তার প্রতিবাদ জানাই, নবগঠিত ফ্রান্স বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

ফ্রান্স ছাত্রলীগর সভাপতি এম আশারাফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রনির পরিচালনায় এ প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স ছাত্রলীগ নেতা -স্বপন আহমেদ,হাবিবুর রহমান হাবিব,সেলিম আল দিন,রাহাত হোসাইন,মো শামিম, শরিফ আহমেদ ,ফয়সল আহমেদ , সালমান আহমেদ আকবর , আতিক হাসান , বেলাল আহমেদ , আবদুর রাজ্জাক , সালিক মিয়া , মিতুল মির্জা , সোহাগ মির্জা , মাহিদুল ইসলাম নয়ন , সুমন , আজির উদ্দিন , সম্রাট সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বক্তারা আরো বলেন আগামী ৮ ই মের ফ্রান্স আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকল ছাত্রলীগ কর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।

সোমবার, ২ মে, ২০১৬

মে দিবসে শ্রমিক স্মরণে

মে দিবসে শ্রমিক স্মরণে



সাকিব আহমদ মুছা, প্যারিস (ফ্রান্স) থেকে- আমি একজন শ্রমিক পরিচয়ে আমি আমাকে নিয়ে গর্বিত তারই আলোকে আজ মহান মে দিবসে বিশ্বের শ্রমজীবি মানুষকে অভিনন্দন 

মে দিবস রক্ত দিয়ে অধিকার আদায়ের মাস লাল বর্ণে লিখা ইতিহাসের সাদা কাগজের পাতা তাই মে দিবসের শিক্ষা নিয়ে আমাদের অধিকার আদায় করতে হবে এজন্য সকল সামাজিক সংগঠন শ্রমজীবি মেহনতী মানুষদের প্রতি আহ্বান জানাই

বাংলাদেশ তথা সর্ব ইউরোপ সহ এমন কি গভীর শ্রদ্ধা বিনয়ের সাথে স্মরণ করেন কল কারখানায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে রক্তঝরা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন দীর্ঘ বঞ্চনা আর শোষন থেকে মুক্তি পেতে ১৮৮৬ সালের এদিন বুকের তাজা রক্ত ঝরিয়েছিলেন শ্রমিকরা 

আট ঘন্টা কাজের দাবিতে এদিন শ্রমিকরা যুক্তরাষ্ট্রের সব শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘটের ডাক দিয়ে ছিলেন বিক্ষোভের এক পর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারের গুলি চালালে ১০ জন শ্রমিক প্রান হারান গড়ে ওঠে শ্রমিক জনতার বৃহত্তর ঐক্য অবশেষে তীব্র আন্দোলনের মুখে শ্রমিকদের দৈনিক আট ঘন্টা কাজের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার  

তারই ধারবাহিকতায় শ্রমিক দিবসের প্রেরনা থেকে বাংলাদেশ এখন মোটেও পিছিয়ে নেই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে বিপুল উদ্দীপনা নিয়ে মে দিবস পালিত হয় ওই বছর সদস্য স্বাধীন দেশ ১লা মে সরকারি ছুটি ঘোষিত হয় শ্রমজীবী মানুষকে শোষণের হাত থেকে মুক্তি তাদের অধিকার আদায়ের নানা শ্রেণী-পেশার শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে আমরা সামাজিক সাংবাদিক বৃন্দ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি  

আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী ব্যক্তি মালিকানা নির্বিশেষে অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারসহ গণতান্ত্রিক শ্রম আইন শ্রম বিধিমালা প্রণয়ন, নিরাপদ কর্মস্থল, শোভন কাজ শোভন মজুরী নিশ্চিত করা, রেশন প্রথা চালু, নারী শ্রমিকদের সমকাজে সমমজুরী, সামাজিক মর্যাদা নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সুলভে বাসস্থান, কারখানা ভিত্তিক হাসপাতাল এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা করে শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনী নিশ্চিত করে শ্রমিকদের সুবিধা দিতে সরকারের প্রতি আহবান আমাদের সর্ব সামাজিক সংগঠনের

শেখ হাসিনা মনকে ‘মুক্ত’ না করে ‘বদ্ধ’ করার উপদেশ

শেখ হাসিনা মনকে ‘মুক্ত’ না করে ‘বদ্ধ’ করার উপদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশে ক্রমাগত মুক্তমনা-প্রগতিশীল মানুষগুলোকে ‘নাস্তিক’ আখ্যা দিয়ে উগ্রবাদী গোষ্ঠী কর্তৃক হত্যায় উদ্বেগ জানিয়ে নির্বাসিত নারীবাদী লেখক তসলিমা নাসরিন বলেছেন, ‘এখন কোনো আস্তিককে মেরে ফেলা হলেও বলা হবে, ও ব্যাটা নির্ঘাত নাস্তিক ছিল।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনকে ‘মুক্ত’ না করে ‘বদ্ধ’ করার উপদেশ দিচ্ছেন মন্তব্য করে তসলিমা বলেন, “জয়কেও যদি এখন কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়, হাসিনা বলবেন, ‘জয়ও ভেতরে ভেতরে হয়তো নাস্তিক ছিল। আমরা জানতাম না। নাস্তিক না হলে বা মুক্তমনা না হলে সন্ত্রাসীরা ওকে মারবে কেন?”
সোমবার (২ মে) তসলিমা নাসরিন তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে এ শ্লেষ ছুড়ে দেন। পাঠকের জন্য তসলিমা নাসরিনের পুরো স্ট্যাটাসটি তুলে দেয়া হল—
‘পুরো বিশ্ব জানে বাংলাদেশে নাস্তিকদের কুপিয়ে মারছে ইসলামী সন্ত্রাসীরা। এখন কোনো আস্তিককে মেরে ফেলা হলেও বলা হবে, ও ব্যাটা নির্ঘাত নাস্তিক ছিল। হাসিনার ছেলে জয়কেও যদি এখন কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়, হাসিনা বলবেন, ‘জয়ও ভেতরে ভেতরে হয়তো নাস্তিক ছিল। আমরা জানতাম না। নাস্তিক না হলে বা মুক্তমনা না হলে সন্ত্রাসীরা ওকে মারবে কেন’। সন্ত্রাসীদের বিচারের প্রতি আস্থা দেশের প্রধানমন্ত্রীরও আছে। আস্থা আছে বলেই প্রধানমন্ত্রী খুনীদের শাস্তি দেওয়ার পক্ষে নন। তিনি বরং মুক্তমনাদের উপদেশ দিচ্ছেন মনকে মুক্ত না করে বদ্ধ করতে। জটিল লেখালেখি বন্ধ করতে।
হত্যাকারীদের, আক্রমণকারীদের, ঘৃণাকারীদের বিচারের ওপর মানুষের আস্থা অসম্ভব বেশি। তাদের বিচার আর আদালতের বিচারের মধ্যে মানুষ পার্থক্য দেখে না। ‘ওকে যখন খুন করা হয়েছে, খুনের পেছনে নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে। কারণ না থাকলে ওরা খুন করবে কেন!’ এ কথা প্রধানমন্ত্রীও যেমন বলেন, আমজনতাও বলেন। ইসলামী সন্ত্রাসীরা নাস্তিক খুন শুরু করার পর থেকে নাস্তিকদের যত-না অপরাধী ভাবতো মানুষ, তার চেয়ে বেশি অপরাধী ভাবছে। নাস্তিকরা খুন হওয়ার মতো অপরাধ করে বলেই ধারণা জন্মেছে।
সন্ত্রাসী আর খুনিদের প্রতি মানুষের আস্থা এবং বিশ্বাস দিন দিন বাড়ছে , আর ভিকটিমদের প্রতি মানুষের ঘৃণা এবং অবিশ্বাসও দিন দিন বাড়ছে। সন্ত্রাসী আর খুনির প্রতি যে বিশ্বাস মানুষের, তা অনেকটা ঈশ্বরে বিশ্বাসের মতো। ঈশ্বর যেমন কোনো ভুল করতে পারেন না, মানুষ মনে করে খুনিরাও কোনো ভুল করতে পারে না। ঈশ্বর যেমন কোন মানুষ কী করছে, কার মনে কী— সব জানেন, খুনিরাও জানে সব, খুনিরা জানে কে ভেতরে ভেতরে আস্তিক, কে নাস্তিক। ঈশ্বর যেমন শাস্তি দেন মানুষকে, কর্মফল দেন, খুনি সন্ত্রাসীরাও তাই করে। সন্ত্রাসীদের মানুষ ভয় পায়, ঈশ্বরকে যেমন ভয় পায়।’