মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬
সৌদি পুরুষদের দক্ষিণ হস্ত বাঙালি মেয়েদের মালিক হয়ে গেছে
মক্কা-মদিনার দেশে গৃহকর্মে নিযুক্ত মেয়েরা বোরকা পরেনা? তারা কি জিন্সের প্যান্ট ও টি-শার্ট পরে ঘুরে বেড়ায়? না কি তারা বিকিনি পরে রাস্তায় চলে? তাহলে তারা ধর্ষিত হয় কেন?
বাংলাদেশের শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমান জানে যে ধর্ষনের জন্য মেয়েদের পোশাকই দায়ী। মেয়েদের আধুনিকতা ও উগ্রতার কারণেই তারা ধর্ষিত হচ্ছে। কারণ মেয়েরা তেতুলের মত। পুরুষতো তাকে চেখে দেখবেই। কিন্তু প্রথম আলোতে খবর ছাপা হয়েছে সৌদি আরবে গৃহকর্মে নিযুক্ত মেয়েরা নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। নবী মোহাম্মদের দেশে দোররা মারার আইন চালু থাকা সত্তেও বাঙালি মেয়েদের কেন ধষর্ণ করা হচ্ছে? না কি ইসলামের বিধান মেনেই তারা ধর্ষন করে?
১৯৭১ সালে বাঙালি মেয়েদের ধর্ষণ করাকে জায়েজ করা হয়েছিল ইসলাম দিয়ে। ইসলাম রক্ষার জন্য ধর্ষন করা হত। জামাতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামীর দেয়া ফতোয়া অনুযায়ী বাঙালি মেয়েরা ছিল ইসলামী রাষ্ট্র পাকিস্তানের সেনাদের জন্য গণিমতের মাল। গণিমতের মাল যেভাবে ইচ্ছা ভোগ করা যায় -এটাই ইসলামের বিধান। ইসলামে যুদ্ধের মাধ্যমে প্রাপ্ত নারীদের বলা হয় গণিমতের মাল। গণিমতের মালরাও দাসী। ইসলামিক স্টেট (আইএস) ধর্ষনের জন্য হাজার হাজার নারীকে বন্দী করে রেখেছে। তাদের কোন নীতিমালার আলোকে ধর্ষণ করা হবে সে সম্পর্কে শরিয়ত সন্মত বিধানও জারী করেছে। কিন্তু সৌদি আরবে যেসব বাঙালি মেয়ে কাজ করতে যায় তারা গণিমতের মাল নয়। তারা অর্থের বিনিময়ে নিযুক্ত দাসী। কোরানের বিধান অনুযায়ী দাসীদের ধর্ষন করা জায়েজ। এটাই ইসলাম।
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬
প্রতি হিংসা মূলক ভাবে সমাজ সেবার খই ফুঁটিয়ে মুখে বড় আওয়াজে কথা বলেন।
সম্পাদক
নোট: ব্লগার সাংবাদিক
সাকিব আহমদ মুছা'র নিজওয়েবসাইট
থেকে প্রকাশ করা হলো।
প্যারিসে
আমি বেশ কিছু দিন থেকে
দেখে আসছি অনেকেই সমাজ সেবার
পোষাক ধারণ করে অনেকের দায়িত্ব
থেকে দূরে রাখার জন্য প্রতি
নিয়ত প্রতি হিংসা মূলক ভাবে
মুখে সমাজ সেবার খই ফুঁটিয়ে
বড় আওয়াজে
কথা বলে আমাদের মতো লেকদের
নাম পরিচয় জনসম্মুখে
প্রকাশ করতে না ইচ্ছুক। তবে
এতে কোন সমস্যা নয়। সমস্যা
হলো পরিচয় যখন দিবেন যার
যা পরিচয়
আছে সেটা আপনারা উল্লেখ না
করে জনসম্মুখে আমাকে
সহ আমার
মতো আরও অন্যান্যদেরও
বেশ কিছু এ সম্পর্কে অনেক
অভিযোগও রয়েগেছে। কিন্তু
তবে আমি তাদের নাম পরিচয়
বলবো না। সমাজের কাছে খাঁট
বানানোর উদ্যোশ্যে, আমাকে
সহ অন্যান্য
দেরও আসল পরিচয় গোপন রেখে জনসম্মুখে
ভুল ব্যাখ্যার পরিচয়
উপস্থাপন করেন। আশা করি এখন
থেকে সতর্ক হয়ে যাবেন। সত্য
প্রকাশে যতবড়ই ক্ষমতাশীন
বাঁধার মুখে হুমকি হয়ে আশোক
না কেন
আমি তাদের বিরোদ্ধে
আমার কলম মানবাধিকারের
স্বার্থে নিরিপেক্ষ ভাবে
আজীবন কাজ করবে।
প্রবাসে ব্যার্থ হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন অনেক
লেখক: সাকিব আহমদ মুছা
প্রবাস জীবনের ব্যাথা আসলে বলতে গেলে কেউ বুঝে না। প্রবাসে আসেন অনেকেই বাবার বড় অংকের টাকা খরচ করে। কিন্তু অনেকেই আসেন প্রবাসে ভাল মায়না বেতনের কাজের উদ্যোশ্যে, প্রবাসে কাজ পাওয়াতো দূরের কথা টিক মতো প্রবাস জীবন যাপন করতে গিয়ে আমার জানামতে ব্যার্থ হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন অনেক। বিশেষ করে সৌদি আরব সহ আরবের বিভিন্ন দেশ গুলিতে এই রকমের অহরহর ঘটনা ঘটে।
ইসলামী পন্ডিতেরা মুরগির পায়খানা খাওয়ার মত সম্পর্ক
ইসলামী
পন্ডিতেরা মুরগির পায়খানা
খাওয়ার মত সম্পর্ক
সাকিব
আহমদ মুছা, প্যারিস
থেকেঃ আজ আমরা জানব- ইসলাম
ধর্মের একটি বিরাট বৈজ্ঞানিক নিদর্শন । কম বেশি
আমরা অনেকেই জানি যে, মানুষের
বিচার করার ক্ষমতা ও ভাল
মন্দ কাজ করার প্রবনতা থাকে
ব্রেইনে অর্থাৎ ব্রেইনের
দ্বারাই একটি মানুষ ভাল মন্দের
দিকে পরিচালিত হয় বা শয়তানী
ও ভাল
চিন্তাধারা,প্রবনতা মাথাতে
ব্রেইনের মধ্যে থাকে । এখন
যদি কেও বলে যে, মানুষের
বিচার করার ক্ষমতা,ভাল খারাপ
করার প্রবনতা,মানুষের
পরিচালন ক্ষমতা-- থাকে
হাটুতে, তাহলে তাকে মহা বিজ্ঞানী
বলে সিকৃত দেওয়া ছাড়া আর
কোন উপায় নেই । ঠিক
তেমনই ইসলামের মহাবিজ্ঞানী
আমাদের মুহাম্মাদ উনি
ছিলেন আল্লা নামক সর্ববিজ্ঞানীর সাগরেদ বা শীর্ষ ।
আল্লা নামক সর্ববিজ্ঞানী
উনি আমাদের মহাবিজ্ঞানী
মুহাম্মাদ চাচাকে বুকের
ভিতর ব্রেইন ক্ষমতা,পরিচালন ক্ষমতা
দিয়েছিলেন তারমানে মাথার
ভিতরে ব্রেইনে না ।এক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি অনেকটা্ই
তার হাটুতেই ব্রেইন
ক্ষমতা ছিল । এটাই এখনকার
বর্তমান বিজ্ঞানীরা মেনে
নিয়েছেন এবং আল্লা নামক সর্ববিজ্ঞানীকে
সর্ব সম্মানে ভূষিত
করেছেন ।
কিন্তু
বর্তমানে ইসলামী পন্ডিতেরা
মুরগির পায়খানা খাওয়ার
মত সম্পর্কের
যুক্তি দিয়ে মানুষের
শুক্র বা বীর্য নির্গতের স্থান
বুক্ষপাজর ও মেরুদন্ডে করে কুরানের
ভুল আয়াতকে সঠিক প্রমান করেছে
।।।।।।।।।।
এবার
আসি মুহাম্মাদের বুকের
ভিতরে থাকা শয়তানী ও ভাল
চিন্তাধারা এবং চলার
প্রবনতা নিয়ে, যাহা একাধিক বার
যমযমের পানি দিয়ে পরিষ্কার করা
হয়েছিল এবং যেটা মাথাতে ব্রেইনের
মধ্যে থাকা উচিত ছিল ।যাইহোক
তার বুকের ভিতরে ছিল এই
জন্য আমার মাথা ব্যাথা নেই
। কিন্তু
যদি বলা হত এটা হাটুর
ভিতরে ছিল তবুও ইসলামী পণ্ডিতরা
এটা সঠিক প্রমান করেই ছাড়ত
। তাই
ইসলামী পণ্ডিতদের যুক্তি
থেকে বলা যায় যে, শয়তানী
ও ভাল
চিন্তাধারা এবং চলার
প্রবনতা মুহাম্মাদের হাটুতে
ছিল (প্রমানিত)
অনন্ত বিজয় দাস-কে হারানোর বেদনা
মৌলবাদীদের চাপাতি দিয়ে হত্যা করা অনন্ত বিজয় দাস-কে হারানোর বেদনা আজও ভুলিনী ভুলতে পারিনী।
বেঁচে থাকলে আজ বাবুর বয়স হতো প্রায় ৩৪ বছরের মতো। ২০১৫ সালে মৌলবাদীদের হাতে নির্মমম ভাবে খুন হন বাবু অনন্ত বিজয় দাস। বাবু যদিও আজ বেঁচে নেই তবুও আমাদের কাছ থেকে তার শেষ পর্যন্ত ভাল বাসা একটুও কমেনি।
খুন হয়েছেন তাতে কি হয়েছে আমাদের মাজ থেকে আজও বাবু হারিয়ে যাননি।
তার অপ্রকাশিত বই ‘জীবববিবর্তন তত্ত্ব পড়ে আজ বাবুকে অনেক মনে পড়ে এমনকি এক পর্যায় কাঁদলাম ও এক নজরে চোখের জল ফেললাম।
বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৬
বৌদ্ধ জাতিকে তুর্কি থেকে উচ্ছেদ
সাকিব
আহমদ মুছা, প্যারিস
থেকেঃ
ভিডিও
ও ছবি সহ
অনেক তথ্য এখন ভাইরাল হয়ে
আছে ফেইসবুক সহ বেশ কিছু
সামাজিক সাইডগুলিতে। নারকীয়
হত্যাযজ্ঞের খবর আর
গোপন নয় মায়ানমারের
বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী সহ বৌদ্ধের উপর।
এগুলি দেখলে কোনো মানুষ মন
বাঁধতে পারবে বলে আমার মনে
হয় না।
বিশেষ করে স্হানীয় তুর্কি মুসলমানরা
সরকারি বাহিনী সাথে নিয়ে বৌদ্ধ
জাতিকে তুর্কি থেকে বৌদ্ধের ও
তাদের শিশুদের সহ নারীদের কুপিয়ে
এবং পুরুষদের গুলি
করে জ্বালিয়ে হত্যা
করছে।
বৌদ্ধদের
ইতিহাসে এমন হত্যাযজ্ঞের
কারন হল মায়ানমারে
মুসলিম রোহিঙ্গা নারী,
পুরুষ, শিশু সহ নির্যাতনের নির্মমতা কারন।
বিশেষ করে ধর্মীয় কারণে এটা
যেমন বাংলাদেশে থাকা
বৌদ্ধের ছুঁয়ে যাচ্ছে,
ঠিক তেমনি বিদেশে
অবস্থানরত বর্হির বিশ্বের
বিবেকের পিঠে চাবুক মেরে যাচ্ছে।
প্রবাসে এসব কথার এই বলে
শেষ যে- ‘ভাই, বৌদ্ধের জন্য
বিদেশ থেকে সমবেদনা
ছাড়া কী ই আর করতে
পারি?
আমরা
যারা ইউরোপে থাকি বা থাকেন,
তারা যদি একমাস দিনে মাত্র
একটি চা কম পান করেন,
কিংবা দু একটা সিগারেট কম
খান, তাহলে হিসেব করে দেখুন-
হয়তো বৌদ্ধদের
একটি ফ্যামিলির একমাসের
খাবারের বন্দোবস্ত হয়ে
যাচ্ছে! আমরা যারা প্রবাসে আছি,
সবাই যে খুব ভাল আছি
কিংবা বিলাসবহুল জীবন
যাপন করছি তা না- কিন্তু
আমাদের গায়ে না লাগা সামান্য
প্রয়াস জাতিসংঘ চাইলে
বৌদ্ধের জীবন হয়ে যেতে পারে।
একদিকে
যেমন অশেষ পূণ্যের
সুযোগ, অন্যদিকে আমাদের
উপর বর্তানো মানবিক
দ্বায়িত্ব পালন।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



